ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ‘অবৈতনিক’ হচ্ছে নিম্ন মাধ্যমিক স্তর

  • বার্তা কক্ষ
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

 

 

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক ন্যূনতম শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে এবং নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়া অবৈতনিক করতে এক যোগে কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৫ মে) শিক্ষানীতি-২০১০ এ বর্ণিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই দুই মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সম্মত হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া অবৈতনিক করেছে আগেই। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দিচ্ছে সরকার। আর ৬৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি চালু আছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্থ খরচ করে ষষ্ট, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া করান অভিভাবকরা।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে, মৌলিক ন্যূনতম শিক্ষা অধিকারের ধাপ প্রাথমিক থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক স্তরে উত্তরণের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করবে।

বর্তমানে প্রাথমিক থেকে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা আর্থ-সামাজিক ও প্রক্রিয়াগত কারণে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে। এই ঝরে পড়া রোধ করতে নিম্ন মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক বা নামমাত্র ব্যয়ে করার ব্যবস্থা করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সম্মত হয়েছে দুই মন্ত্রণালয়।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অবৈতনিক শিক্ষা তথা পাঠদান কার্যক্রম ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিস্তৃত করবে। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ব্যয় কমিয়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে কাজ করবে।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন নাহার, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হালিম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, প্রাথমকি ও গণশক্ষিা মন্ত্রণায়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

সাতক্ষীরায় যুব কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে স্থানীয় কারিগরি ও বৃত্তিমুলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক সংলাপ

অবশেষে ‘অবৈতনিক’ হচ্ছে নিম্ন মাধ্যমিক স্তর

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪

 

 

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক ন্যূনতম শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে এবং নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের লেখাপড়া অবৈতনিক করতে এক যোগে কাজ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৫ মে) শিক্ষানীতি-২০১০ এ বর্ণিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই দুই মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সম্মত হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া অবৈতনিক করেছে আগেই। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দিচ্ছে সরকার। আর ৬৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি চালু আছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অর্থ খরচ করে ষষ্ট, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া করান অভিভাবকরা।

বৈঠকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে, মৌলিক ন্যূনতম শিক্ষা অধিকারের ধাপ প্রাথমিক থেকে নিম্ন-মাধ্যমিক স্তরে উত্তরণের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একযোগে কাজ করবে।

বর্তমানে প্রাথমিক থেকে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা আর্থ-সামাজিক ও প্রক্রিয়াগত কারণে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বেড়েছে। এই ঝরে পড়া রোধ করতে নিম্ন মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক বা নামমাত্র ব্যয়ে করার ব্যবস্থা করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সম্মত হয়েছে দুই মন্ত্রণালয়।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অবৈতনিক শিক্ষা তথা পাঠদান কার্যক্রম ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিস্তৃত করবে। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ব্যয় কমিয়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে কাজ করবে।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন নাহার, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হালিম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, প্রাথমকি ও গণশক্ষিা মন্ত্রণায়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।